“দেশের উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার। আসুন একসাথে গড়ি আগামীর বাংলাদেশ। সবসময় আপনাদের পাশে আছি, পাশে থাকব, ইন-শা-আল্লাহ।”
আমি ফয়সল আহমদ চৌধুরী সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ব্রাক্ষন গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৫ই আগস্ট ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহন করি।
আমার পিতা মরহুম আব্দুল মুমিত চৌধুরী এবং মাতা মরহুমা সায়মা চৌধুরী। আমি ব্যক্তিগত জীবনে রুশিনা আহমদ চৌধুরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ব হই।
আমার তিন সন্তান মেহেরীন সায়মা চৌধুরী,তানজীম ফারহান চৌধুরী এবং তালহা আয়মান চৌধুরী।
সদস্য- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, সিলেট জেলা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের ভাই-বোনেরা,
আমি ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লড়াইয়ে আপনাদের প্রত্যেকের সহযোগিতা আমার প্রেরণা।
আসুন, আমরা একসাথে অন্যায় ও বৈষম্যহীন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার হবে উন্নয়নের অনন্য উদাহরণ।
আমি, ফয়সল আহমেদ চৌধুরী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিশ্বাসী একজন দেশপ্রেমিক কর্মী।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন করেছি।
আজ আমি আমার প্রিয় গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারবাসীর প্রতি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—জনগণের শক্তি ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের এলাকাকে উন্নয়ন, ন্যায় ও মর্যাদার মডেল অঞ্চলে পরিণত করব।
জনগণের ভোটাধিকার ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে একটি মুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠন।
শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠন।
দারিদ্র্য হ্রাস, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের প্রসার, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
আমি বিশ্বাস করি—রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন জনগণের মতামতই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল শক্তি।
আমার লক্ষ্য একটি আধুনিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠন, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার হবে সর্বোচ্চ মূল্যবোধ।
জাতীয় ও স্থানীয়—উভয় স্তরেই আমি এমন উদ্যোগ গ্রহণ করব, যা উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষকে সম্মান ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে।
গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের মানুষের কল্যাণে আমি কাজ করতে চাই উন্নত জীবনযাত্রা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।
প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ মানবসম্পদসমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন।
নাগরিকের মর্যাদা, মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করা।
ধর্ম, জাতি ও মত নির্বিশেষে সমান সুযোগ ও সম্মান নিশ্চিত করা।
জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
৩১ দফার আলোকে আলোচনাসভা ও লিফলেট বিতরণ-লিফলেট বিতরণ।
০২ নভেম্বর ২০২৫
৩১ দফার আলোকে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ, আয়োজনে ৪নং শেওলা ইউনিয়ন বিএনপি ।
আমার ছাত্রজীবনের শুরু পিটিআই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। এরপর শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এসসি, মুরারীচাঁদ কলেজ(এমসি কলেজ) থেকে এইচ.এস.সি, চট্টগ্রাম বিম্ববিদ্যালয় (এম.সি কলেজ) হতে বি.এ এবং সিলেট ল’কলেজ থেকে এল.এল,বি প্রথম বর্ষ পাশের পর যুক্তরাজ্য যাত্রা করি।
১৯৮২
১৯৮৭
১৯৮৯
১৯৯১
১৯৯৩
ফয়সল আহমেদ চৌধুরী একজন দূরদর্শী ব্যবসায়িক নেতা ও সমাজসেবক, যিনি ৩৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে সফল নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি বারাকা পাওয়ার লিমিটেডসহ একাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশে প্রবাসী বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। রিয়েল এস্টেট, শিক্ষা ও প্রিন্টিং শিল্পেও তার সফল উদ্যোগ বাংলাদেশে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
তিনি আন্তর্জাতিক ব্যবসা, শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এক অনুপ্রেরণামূলক ব্যক্তিত্ব। তার নেতৃত্বে সিলেটের সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্ম আত্মনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
পটিয়া, চট্টগ্রাম।
নিশাতনগর, টঙ্গী, গাজীপুর।
নাসরাতপুর, হবিগঞ্জ, সিলেট।
আলহাজ টাওয়ার, ৮২ মতিঝিল, ঢাকা।
সুবিদবাজার, সিলেট।
সুবিদবাজার, সিলেট।
মীরবক্সটুলা, সিলেট।
শিকলবাহা, চট্টগ্রাম।
নাভানা টাওয়ার, পান্থপথ, ঢাকা ।
মলি ক্যাপিটা সেন্টার, গুলশান-১, ঢাকা।
ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।
চৌহাট্টা পয়েন্ট,সিলেট।
খয়রুন ভবন, মীরবক্সটুলা, সিলেট।
সুবিদবাজার,সিলেট।
স্বাধীনতার চেতনা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে ফয়সল আহমেদ চৌধুরী রাজনীতিতে যুক্ত হন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি গণমানুষের অধিকারের জন্য আন্দোলন ও সংগঠনে নিবেদিত থেকেছেন।
তার রাজনীতি জনকল্যাণ, ন্যায়বিচার ও জনগণের ক্ষমতায়নের রাজনীতি যা সিলেটের মাটি থেকে জাতীয় পর্যায়ে এক নতুন আশার বার্তা বহন করছে।
সিলেট এম.সি কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হই।
সরকারী কলেজ ছাত্রদল কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হই ।
সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত ’’ ফয়সল-মনজার পরিষদ” প্যানেল থেকে ভিপি পদে নির্বাচন করি।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় এম.সি কলেজ শাখার সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যর যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হই।
জেলা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হই।
সিলেট এম.সি কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের সিলেট শহর কমিটির যুগ্ম আহবায়ক হই।
সিলেট শহর কমিটির যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হই।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সিলেট জেলা শাখার আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় ।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। উক্ত দায়িত্বের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য বিএনপি কে সংগঠিত করার জন্য বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সিলেট জেলা শাখার সদস্য নির্বাচিত হই।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সিলেট জেলা শাখার সদস্য নির্বাচিত হই। সিলেট-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়ে জাতীয় নিবার্চনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সিলেট জেলা শাখার সদস্য নির্বাচিত হই।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহনের নিমিত্তে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ১৬(২) অনুচ্ছেদের বিধান মতে আমাকে ২৩৪ সিলেট-৬ আসনে (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান পূর্বক ”ধানের শীষ” প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের আপামর জনসাধারণের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ১,০৮,০৮৯(এক লক্ষ আট হাজার উননব্বই) ভোট পাই। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ রাতের অন্ধকারে ভোট ডাকাতি করে আমার জয় ছিনিয়ে নেয়।
আন্দোলনের ভূমিকা
ফয়সল আহমেদ চৌধুরী ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের একজন সাহসী সংগঠক ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছিলেন। জাতীয়তাবাদী চেতনা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং আজও সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত থেকে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান
২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে আপামর ছাত্র জনতার সাথে গণ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করি। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে ২০২৪ সাল ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের এক উত্তাল অধ্যায়। দেশজুড়ে যখন দমন-পীড়ন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ তীব্রতর হচ্ছিল, তখন জাতীয়তাবাদী নেতৃবৃন্দের মধ্যে অন্যতম ফয়সল আহমেদ চৌধুরী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক কর্মীদের মনোবল জোগাতে এবং আন্দোলনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ধারাবাহিকভাবে সংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যান।
যোগাযোগব্যবস্থা, নদীভাঙ্গন ও স্বাস্থ্যসেবার দুরবস্থা নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব ফয়সল আহমদ চৌধুরী।
গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সর্বজন প্রশংসিত ব্যক্তি, এবং বিশ্বাসের প্রতিক, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী জনাব ফয়ছল আহমদ চৌধুরীর বিকল্প নাই।
বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন সিলেট-৬ আসনের ধানের শীষের কান্ডারী জননেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও জাতীয় পুনর্জাগরণের অঙ্গীকারে, ফয়সল আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শুরু হয়েছে
গোয়ালন্দগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায়
বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা প্রচার কার্যক্রম।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে চাই বিকল্প নীতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের বার্তা।
👉 যদি আপনি দেশপ্রেমে বিশ্বাসী এবং পরিবর্তনের পথে মাঠে কাজ করতে প্রস্তুত, তবে আজই যোগ দিন আমাদের স্বেচ্ছাসেবক টিমে।
২০০৭ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর ধরে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে একটি সমন্বয় সহযোগিতার মাধ্যমে আমার পূণ্যভ’মি সিলেট জেলার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৬ আসনের (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দুস্থ মানুষের পূণর্বাসন,আর্থিক সহযোগীতা, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান অনুদান,শিক্ষাবৃত্তি প্রদান,শিশুদের জন্য টিফিনের খাবার বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ সহ বিভিন্ন কল্যানমূলক ও উন্নয়নধর্মী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সাথে আমার এই পদযাত্রা।
২০০৭ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর ধরে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে একটি সমন্বয় সহযোগিতার মাধ্যমে আমার পূণ্যভ’মি সিলেট জেলার নির্বাচনী এলাকা সিলেট-৬ আসনের (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
একজন আগামীর সংসদ সদস্য হিসেবে আমার প্রচেষ্ঠা হবে আগামী দিনে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে ৩১ দফার ভিত্তিতে দেশকে গড়ে তোলা। সাথে সাথে আমার প্রচেষ্ঠা হবে দূর্নীতিমুক্ত,মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।২০২৪ এর রক্ত¯œাত স্বাধীনতার সোপানে আমার দৃঢ় শপথ জনগণের জন্য সুখী সুন্দর একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রয়োজনে নিজের প্রাণ বির্সজনেও পিছপা হবোনা।
একজন আগামীর সংসদ সদস্য হিসেবে আমার প্রচেষ্ঠা হবে আগামী দিনে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে ৩১ দফার ভিত্তিতে দেশকে গড়ে তোলা। সাথে সাথে আমার প্রচেষ্ঠা
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড – শিক্ষা জাতিকে সামনে এগিয়ে চলার পথ তৈরি করে দেয় তাই সবার জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা আমাদের অন্যতম প্রধান কর্মসুচি।